এক সন্ধ্যাতেই চালু
সম্পাদক ফোন নম্বর দিয়ে সাইন আপ করেন, এক গ্রিডে A-101 থেকে A-804 পর্যন্ত ফ্ল্যাট তৈরি করেন, সব মালিককে এসএমএসে আমন্ত্রণ যায়।
প্রতিবেশী একটি সোসাইটির হিসাব, নোটিশ, গেট আর পরিচালনা এক জায়গায় নিয়ে আসে — যেখানে প্রতিটি বাসিন্দা দেখতে পান কী সিদ্ধান্ত হলো আর তাতে খরচ কত হলো।
কোনো যন্ত্রপাতি নয়, ইনস্টলেশন নয়, পরামর্শকও নয়। কমিটির একজন ফোন থেকেই ভবনটি তৈরি করেন, বাসিন্দারা এসে যোগ দেন।
সম্পাদক ফোন নম্বর দিয়ে সাইন আপ করেন, এক গ্রিডে A-101 থেকে A-804 পর্যন্ত ফ্ল্যাট তৈরি করেন, সব মালিককে এসএমএসে আমন্ত্রণ যায়।
রেজিস্টারের ছবি তুলুন বা এক্সেল দিন — এআই ফ্ল্যাট, মালিক ও ফোনের তালিকা সাজিয়ে দেয়, আপনি শুধু মিলিয়ে নেন।
এক বাড়িতে মালিক, আরেক বাড়িতে ভাড়াটিয়া — একটাই ফোন নম্বর, দুই সোসাইটি, এক ট্যাপে বদল।
আয়তন, মালিক-বসবাস না ভাড়া না খালি, যৌথ মালিকানায় একজন বিল-মালিক — আর আগের সব মালিক-ভাড়াটিয়ার রেকর্ড থেকে যায়।
ভাড়াটিয়া অ্যাক্সেস পাওয়ার আগে মালিক অ্যাপে অনুমোদন দেন; চলে গেলে সেদিনই গেট আর বিল দুটোই বন্ধ হয়।
নোটিশ আসে তাঁর সময় অনুযায়ী, দেশে থাকা স্বজন পান সীমিত দায়িত্ব, আর নিজের ফ্ল্যাটের বকেয়া তিনি নিজেই দেখেন।
সোসাইটির বেশিরভাগ বিরোধ এমন টাকা নিয়ে, যার হিসাব কেউ মেলাতে পারে না। এখানে বিল, রসিদ আর প্রতিটি খরচের ভাউচার খোলা থাকে যাঁরা টাকা দিয়েছেন তাঁদের কাছে।
ফ্ল্যাটপ্রতি, স্কয়ারফুট হিসেবে বা ইউনিটের ধরন অনুযায়ী — মেরামত, সিঙ্কিং, মসজিদ ফান্ডে ভাগ; এজিএমের নতুন হার জানুয়ারি থেকে।
নির্ধারিত দিনে প্রতিটি ফ্ল্যাটে বকেয়া ও বিলম্ব ফিসহ বিল যায় — এসএমএসে পেমেন্ট লিংক, নোটিশ বোর্ডের জন্য ছাপার কপি।
এসএমএস থেকেই টাকার অঙ্ক বসানো অবস্থায় পেমেন্ট, আর কোন ফান্ডে কত গেল তা লেখা বাংলা রসিদ সঙ্গে সঙ্গে।
প্রথমে মৃদু মনে করানো, পরে বাংলা এসএমএস, তারপর কড়া চিঠি — ঈদের সকালে নয়; টাকা দেওয়ার তারিখ দিলে তাগাদা থামে।
আপনার ঠিক করা অঙ্কের (শুরুতে ৫০০ টাকা) উপরে কোনো খরচ ভাউচারের ছবি ছাড়া জমা হয় না।
ম্যানেজার লেখেন, কোষাধ্যক্ষ অনুমোদন দেন, বড় অঙ্কে সভাপতিও — প্রতিটির সঙ্গে নাম আর সময় বসানো থাকে।
নির্দিষ্ট তারিখে সবার কাছে যায় আয়, খাতভিত্তিক খরচ ও স্থিতি; যেকোনো লাইনে চাপ দিলে তার রসিদটাই খুলে যায়।
সহজ বাংলায় এক মিনিটের পাঠ — লিফট মেরামতে ৩.২ লাখ টাকা, তিন বছরের সবচেয়ে বড় একক খরচ।
যেসব কাজে কমিটির সন্ধ্যাটা চলে যায় — গেটে অপেক্ষমাণ অতিথি, কেউ দেখেনি এমন নোটিশ, আর যে অভিযোগের কোনো গতি হয়নি।
গার্ড ছবিতে চাপ দিয়ে নাম আর ফ্ল্যাট নম্বর বলেন, ছবি তোলেন — মেহমান লিফটে ওঠার আগেই বাসিন্দার ফোন বাজে।
বাসিন্দা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অতিথিকে কিউআর পাঠান; গেটে ইন্টারনেট না থাকলেও স্ক্যান করে তা যাচাই হয়ে যায়।
ড্রাইভার, গৃহকর্মী ও টিউটরের নিজস্ব সময়সূচিসহ স্থায়ী পাস থাকে; মেয়াদ নিজে থেকেই শেষ হয়, এক চাপে বাতিলও হয়।
সব ফ্ল্যাট, একটি ভবন বা শুধু মালিকদের পাঠান — আগে অ্যাপ, বাকিদের এসএমএস, আর নোটিশ বোর্ডের জন্য বাংলা এ-৪ পিডিএফ।
আগুন, গ্যাস বা পাইপ ফাটা — একবার নিশ্চিত করলেই সব মাধ্যমে একসাথে খবর যায়, নীরব সময় মানে না, ব্যবহার রেকর্ড থাকে।
পানি চার ঘণ্টা, লিফট এক দিন, রং সাত দিন — সময় পেরোলে অভিযোগ নিজেই সেক্রেটারি, তারপর কমিটির কাছে ওঠে।
সোসাইটি অনুমতি দিলে শব্দ বা প্রতিবেশী নিয়ে অভিযোগ পরিচয় গোপন রেখে করা যায় — পরিচয় সিস্টেমে থাকে, কমিটি দেখে না।
খালি সময় বেছে নিন, অনুষ্ঠানের ধরন ও অতিথি সংখ্যা দিন, ফি দেখুন — খরচ ফ্ল্যাটের মাসিক বিলে যোগ হয়ে যায়।
একই শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই পরিবার চাপ দিলে একজনই পান — কে আগে বুক করেছে ক্যালেন্ডারই ঠিক করে, কমিটিকে নয়।
কাগজে যে অংশটি প্রায় সব সোসাইটিই ভুল করে: কার ভোটাধিকার ছিল, আসলে কী সিদ্ধান্ত হলো, আর পরের কমিটি কী বুঝে পাচ্ছে।
এজিএমের নোটিশ যাওয়ার আগে বাইলজের সময়সীমা মানা হয়, আর নোটিশ দেওয়ার মুহূর্তেই ভোটার তালিকা আটকে যায়।
দরজায় হাজিরা হয় আটকে যাওয়া তালিকা ধরে, ফ্ল্যাটপ্রতি এক ভোট, আর কোরাম মিটার চলে আপনার নির্ধারিত সীমার বিপরীতে।
মালিক সভার আগে প্রতিবেশীকে প্রতিনিধি করেন; একই ফ্ল্যাট সশরীরে ও প্রক্সিতে দুবার গোনা হয় না।
খসড়া সবার কাছে যায়, নিয়ম মেনে পরের সভায় গৃহীত হয়, আর প্রতিটি সিদ্ধান্ত জমা থাকে খোঁজযোগ্য রেজিস্টারে।
কে ভোট দিলেন আর কী দিলেন — দুই আলাদা জায়গায়, মেলানোর সূত্র নেই; উপস্থিতি সরাসরি, ফল কেবল শেষে।
মনোনয়ন, প্রার্থীর বক্তব্য, ফ্ল্যাটপ্রতি এক ভোট, ঘোষিত ফল — বিজয়ীরাই পান পরবর্তী কমিটির পদ ও অধিকার।
প্রতিটি কমিটির পদের শুরু-শেষ তারিখ থাকে; মেয়াদ ফুরালে অ্যাক্সেসও শেষ — কেউ চিরকাল সর্বেসর্বা থাকেন না।
হস্তান্তরের মুহূর্তে হিসাব জমে যায়, সঙ্গে যায় ২৩ দফার তালিকা, আর নতুন সম্পাদক বুঝে পাওয়ার স্বীকৃতি লিখে দেন।
গার্ড, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও কেয়ারটেকার নথিভুক্ত; প্রতিটি লিফট, পাম্প ও জেনারেটরের সার্ভিস ইতিহাস আর প্রতিস্থাপনের জন্য জমতে থাকা তহবিল।
ছবি, ফোন, পদ, বেতন, জরুরি যোগাযোগ আর এনআইডি কপি — এনক্রিপ্ট করা, কে দেখল তারও রেকর্ড থাকে।
প্রত্যেক গার্ডের জমা, যাচাই ও মেয়াদের তারিখ, ৬০ ও ৩০ দিন আগে তাগাদা, আর কার বাকি তার তালিকা।
কর্মী চলে গেলে সঙ্গে সঙ্গে গেট পরিচয় বাতিল, চূড়ান্ত হিসাব লেখা থাকে, রেকর্ড মুছে না গিয়ে সংরক্ষিত হয়।
হাজিরা থেকেই বেতন — ওভারটাইম, অনুপস্থিতি, অগ্রিম, ঈদ বোনাস; কোষাধ্যক্ষ অনুমোদন দিলে খরচ হিসাবের খাতায় ওঠে।
লিফট, জেনারেটর, পাম্প, অগ্নিনির্বাপক — মডেল, বসানোর তারিখ, আয়ু; এএমসি শেষের ৬০, ৩০ ও ৭ দিন আগে তাগাদা।
জেনারেটর ২৫০ ঘণ্টা বা ছয় মাসে, অগ্নিনির্বাপক বছরে একবার; কাজ ম্যানেজারের সপ্তাহে আসে, দেরি হলে কমিটির নজরে যায়।
বড় যন্ত্রের আয়ু গোনা হয় এবং তা মাসিক সঞ্চয়ের অঙ্কে পরিণত হয়, যা কমিটি সরাসরি বাজেটে রাখতে পারে।
বাংলা বা ইংরেজিতে, আপনার নিজের ভবনের নথি থেকে — আর উত্তর দেয় ঠিক ততটুকুই, যতটুকু জানার অধিকার আপনার আছে।
বাংলায় লিখুন বা বলুন — "আমার কত বাকি?" — উত্তরের সঙ্গেই আসে পেমেন্টের বোতাম।
উত্তরে ট্যাপ করলেই সেই বিল, নোটিশ বা অভিযোগটি খোলে; জানা না থাকলে সে বলে দেয় জানি না।
যতটুকু দেখার অধিকার আপনার, সহকারী ততটুকুই আনে — ভাড়াটিয়া অন্য ফ্ল্যাটের বকেয়া বা গেট রেকর্ড পান না।
উত্তর না জানলে সহকারী পুরো আলাপ জুড়ে দিয়ে অভিযোগ খোলে এবং টিকিট নম্বরটি জানিয়ে দেয়।
বাইলজ, দলিল ও চুক্তি একবার আপলোড করুন; সাবলেটের নিয়ম জানতে চাইলে ধারা ও পাতার ছবিসহ উত্তর মেলে।
হিসাব, সিদ্ধান্ত, নিজের ফ্ল্যাটের বকেয়া ও অতিথির সংখ্যা — মাসে একটি বার্তায়; দূরত্ব আর অন্ধকার নয়।
স্বচ্ছতা সোসাইটির টাকা আর সিদ্ধান্ত নিয়ে — কোনো বাসিন্দার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নয়।
সোসাইটি চাইলে প্রতিবেশীরা নাম দেখতে পান, আর যেকোনো বাসিন্দা নিজের নাম সরিয়ে নিতে পারেন। কমিটি তা দেখে; কে সরিয়েছেন তা কেউ জানে না।
কমিটি যেকোনো প্যাকেজে — বিনামূল্যেরটিসহ — হিসাব, সদস্য, অভিযোগ ও নথি খোলা ফরম্যাটে নামিয়ে নিতে পারে; রেকর্ড থাকে।
কুড়িটির কম সোসাইটির দল হলে তুলনা দেখানো হয় না; যে কেউ বাইরে থাকতে পারে, পদ্ধতিও লিখিত।
প্ল্যাটফর্ম কনসোলে নির্ভুলতা যাচাই, প্রতি সোসাইটির খরচ ও সীমা লঙ্ঘনের সতর্কতা — এবং প্রতিটি এআই ফিচার বন্ধ করার সুইচ।
আদায়ের হার ও বকেয়ার বয়স, তহবিলের স্থিতি, অভিযোগের বয়স, কর্মীর অবস্থা আর কী মেয়াদ শেষ হচ্ছে — এক পাতায়।
প্রতিটি ফ্ল্যাট এক পিডিএফে পায় বছরের বিল, পেমেন্ট, স্থিতি ও রসিদের তালিকা — জুলাইয়ে নিজে থেকেই, কাউকে বলতে হয় না।
যে পরিচয়ে আপনার ফ্ল্যাটের গেট খোলে, সেই পরিচয়েই আপনি শহরের সেবাগুলো পান। কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা নোটিশ এখানে প্রতিটি ফ্ল্যাটে পৌঁছায়, আর আপনার ভবনের অনুমোদিত নকশা আগে থেকেই নথিতে আছে। শহর কখনোই পায় না কোনো পরিবারের হিসাব — সে দেখে সমষ্টি, কে কত দিলেন তা নয়।
ফ্ল্যাটগুলো যোগ করুন, মালিকদের আমন্ত্রণ জানান, আজ রাতেই প্রথম নোটিশ পাঠান। বাকিটা আপনা থেকেই এগোবে।